হ্যাঁ, ধূপগুড়ির প্রতীক ছিল এই মূর্তি। অনেকের ই হয়তো অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই স্থানের সঙ্গে। আসতে যেতে প্রতিনিয়ত মন্দিরের দর্শন হয়ে যেত, যা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছিল।
তবে আবেগপ্রবণ ধূপগুড়ি বাসীদের এটা বুঝতে হবে যে মন্দিরটি তুলে ফেলা হয়নি, স্থানান্তরিত হয়েছে শুধুমাত্র। ধূপগুড়ির উন্নয়নের জন্য এরকম পদক্ষেপ তো নিতেই হবে। উন্নয়ন ও লাগে, আর কিছু পরিবর্তন ও হবে না, এটা সম্ভব না। অনেকের প্রশ্ন- মন্দির টা ওখানে রেখেই কী উন্নয়ন করা যেত না!! আবেগপ্রবণ মন যুক্তি দিয়ে ভাবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তাই আবেগকে দূরে রাখুন। রাস্তার প্রসার ঘটাতে হবে, কাজেই এত বড় রাস্তার মাঝখানে ওরকম একটা জায়গা আটক করলে কোনভাবেই তার বিস্তার সম্ভব না। আপনারা তো বাড়িতে বসে ফেবুতে Comment করে দিলেন এটা উচিত নয়, এটা খারাপ হয়েছে, এটা থাকলে কোন অসুবিধাই হত না। তাদের জন্য বলছি, একবার গিয়ে এক Coochbehar- Siliguri বাস চালককে জিজ্ঞেস করুন, একবার গিয়ে সেই পাঞ্জাব বডি চালকদের কাছে গিয়ে শুনুন, আর স্থানীয় টোটোচালকদের কাছে যান, যে ওই Turning টা কত ভয়ংকর ও মারত্মক, কত কষ্ট হয় সেই জায়গায় তাদের গাড়ি চালাতে। এমন অনেকেই আছে যারা হয়তে কোনদিনই ওই মন্দিরের ভেতরে ঢুকে নাই আর হয়তো বা নতুন মন্দিরের সাথেই কোন সম্পর্ক রাখবে না, তবুও সামাজিক দায়িত্ব পালনের সার্থে একটা Comment তো করতেই হবে।
আর সবচেয়ে বড় কথা মন্দিরটি নতুন জায়গায় আরও ভালো করে, বড় করে তৈরি হচ্ছে সেই রাস্তার পাশেই। সুতরাং যারা সত্যিই ওই মন্দিরের সাথে ও ধূপগুড়ির উন্নয়নের সাথে আন্তরিক ভাবে জড়িত, তাদের জন্য কোন অসুবিধে নেই, বরং একটা সু সংবাদ ও উপহার আছে নতুন মন্দিরের রূপে।
জানি অনেকেই আমার কথায় খুশী হবে না, তার জন্য আমি দুঃখিত, তবে যারা আমার সাথে একমত, তারা post টি Share করুন।
#LoveDhupguri..💝💝
No comments:
Post a Comment