Tuesday, February 11, 2020

বনবিভাগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে জলপাইগুড়ি জেলার লাটাগুড়িতে অনুষ্ঠিত হলো দুইদিন ব্যাপী বন বান্ধব উৎসব ।

বনবিভাগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে জলপাইগুড়ি জেলার লাটাগুড়িতে অনুষ্ঠিত হলো দুইদিন ব্যাপী বন বান্ধব উৎসব । ফিতে কেটে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই উৎসবের সূচনা করেন রাজ্যের বনবিভাগের মন্ত্রী রাজিব ব্যানার্জি । এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বনবিভাগের মন্ত্রী রাজিব ব্যানার্জি ছাড়াও নাগরাকাটা বিধানসভার বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা , ময়নাগুড়ির বিধায়ক , জলপাইগুড়ি অননারি ওয়াইল্ড লাইভ ওয়ার্ডেন সীমা চৌধুরী ছাড়াও  জেলার বিশিষ্ট আধিকারিকরা। এই বন বান্ধব উৎসবের মধ্যদিয়ে বন সম্পর্কে উন্নয়ন এগিয়ে নিতে চায় সরকার। দুদিনের এই  উৎসবে  সাধারণ মানুষকে বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করতে বিভিন্ন রকমের স্টল বসানো হয় বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং পরিবেশ প্রেমীরা এই স্টল গুলি বসায়।প্রত্যেকটি স্টল গুলি রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জী ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং প্রত্যেকের সাথে কথা বলেন।দুদিনের এই অনুষ্ঠান মঞ্চে বন সংরক্ষণ সম্পর্কিত নাচ ও গানের আলোচনার ব্যাবস্থা রয়েছে।

 অনুষ্ঠান মঞ্চে মন্ত্রী রাজিব ব্যানার্জি তার বক্তব্যের  রাজ্যের বনকর্মীদের যে ঘাটতি রয়েছে  জঙ্গলের নিরাপত্তার পাপাশাপাসি জঙ্গলের বন্যপ্রাণী পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিবেন। এবং জঙ্গলের কোন কোন বনকর্মীদের বিরুদ্ধে যদি ছোট অভিযোগ পায় তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিবেন।  নিরাপত্তার দিকে জোর দেওয়া হবে । অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র আনার  জন্য অর্থ দপ্তরের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এদিন বনদফতরের লাভ্যাংশের ৪০% বৈকন্ঠপুর ফরেস্ট ডিভিশন,জলপাইগুড়ি ফরেস্ট ডিভিশন, ও গরূমারা ওয়াইল্ডলাইফ ডিভিশন কে বনবস্তির উন্নয়নের জন্য তুলে দেওয়া হয় । এছাড়াও জে. এফ .এম. সি সদস্যা দের সেলাই মেশিন বিতরণ করেন। এবং বনাঞ্চল বাড়াতে সংরক্ষণ করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

Friday, January 31, 2020

ঝালদার সভায় 'উস্কানিমূলক মন্তব্য' কৈলাস বিজয়বর্গীয়র, এফআইআর দায়ের তৃণমূলের

পুরুলিয়ার ঝালদার সভায় উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বিরুদ্ধে এফআইআর তৃণমূলের। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি নেতার হুমকির জেরে এলাকার শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। সস্তা প্রচারের উদ্দেশ্য, পাল্টা বিজেপি।

Saturday, March 2, 2019

‘সেনারা মাইনের বিনিময়ে কাজ করেন, তাহলে তাঁদের মৃত্যুর পরে কেন শহীদ বলা হবে বা মাতামাতি করা হবে’, এই প্রশ্নটা গত কয়দিনে অগুন্তি মানুষ করে ফেলেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু শিক্ষিত মানুষ, স্কুল টিচার, আইনজীবী, লেখক। তাঁদের মধ্যে অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে, অনেকেরই বাড়ি ঘিরে পাড়ার লোকে হামলা চালিয়েছে। প্রথম প্রথম ভারী রাগ হচ্ছিল ওদের পোস্টগুলো পড়ে, তারপরে বুঝলাম ওদের মত একই কথা অনেকেই ভাবে, কিন্তু প্রশ্ন করার সাহস পাচ্ছেনা। যদি পুলিশ ধরে, যদি গনপিটুনি খায়। মারধোর করে বা উগ্রতা দেখিয়ে ওদের মুখ বন্ধ করা গেল, মানসিকতা পাল্টানো তো গেলনা। ওঁরা কিছু প্রশ্ন করেছিল, ধৈর্যের সাথে প্রশ্নগুলো পড়ে ভাবলাম উত্তর দেওয়া যাক। এই লেখাটা তাঁদের জন্য, যাদের মনে একই প্রশ্ন রয়েছে, কিন্তু পাবলিকলি জিজ্ঞেস করার সাহস পাচ্ছনা।

Holiday মুভিটায় একটা গল্প বলেছিল। একজন ভারতীয় জওয়ানকে শত্রুরা ধরে মারাত্মক অত্যাচার করে। বিয়ার বোতল পেছনে ঢুকিয়ে সেখানেই ভেঙে দেয়, চোখ উপড়ে নেয়। তার ছিন্নভিন্ন লাশটা দেখে মা কান্নাকাটি করছিল, বোন মাথা চাপড়াচ্ছিল। কিন্তু এক সপ্তাহ বাদেই তাঁর ভাই সেনাবাহিনীতে জয়েন করে নেয়। এটা শুধু গল্প নয়, বাস্তবতাও। যারা জওয়ান হয়, তাঁদের কাছে যৌবনেই বিকল্প থাকে পড়াশোনা করে আম-আদমির মত চাকরি বাকরি করার, তারপর স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে সংসার করার। তবুও ওঁরা বহু আগে থেকেই স্বপ্ন দেখে দেশের কাছে আত্মবলিদান দেবার। ক্যাপ্টেন আমেরিকার অরিজিনটা মনে আছে?

আর্মিতে ভর্তি হতে গেলে বহু ডেডিকেশন, হার্ডওয়ার্ক এবং স্বপ্ন দেখার প্রয়োজন হয় আর ভর্তির প্রস্তুতি শুরু করতে হয় বহু আগে থেকেই। ধরো, তুমি এখন চাকরি পাচ্ছনা, টাকার বড্ড দরকার। যদি আর্মিতে গিয়ে বলো তোমায় ভর্তি নিতে, সেটা কোনোদিন সম্ভব হবে? তোমার ফিজিকাল ফিটনেসের ট্রেনিং, পড়াশোনা সবকিছুই শুরু করতে হবে বহু আগে থেকে। বরং গ্র্যাজুয়েট-মাস্টার্স-ইঞ্জিনিয়ার হতে গেলেও ততটা খাটনির প্রয়োজন হয়না যতটা আর্মির ট্রেনিং এ হয়।

ডাক্তার হওয়া বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়া যেমন স্বপ্ন, তেমনই দেশের হয়ে প্রাণ দেওয়াটাও মানুষের স্বপ্ন। এই স্বপ্ন দেখতে গেলে হিম্মত লাগে, বর্ডারে দাঁড়াতে বুকের পাটা লাগে। বছরের পর বছর নিজের পরিবারকে ছেড়ে থাকতে হবে জেনেও, পদে পদে মৃত্যুভয় আছে জেনেও যারা আমাদের রক্ষা করার স্বপ্ন দেখে তাদের মৃত্যুর তুলনা বাকীদের সাথে করা কি যায়? একজন ডাক্তারেরও হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় ‘অ্যাক্সিডেন্টাল ডেথ’ হতে পারে, কিন্তু তিনি মৃত্যু হবে জেনে ডাক্তারির পেশায় নিযুক্ত হননি, মানুষের সেবা করতে ডাক্তার হয়েছেন। তাই তাঁর মৃত্যুটা মৃত্যুই। কিন্তু একজন জওয়ান নিজের মৃত্যু হতে পারে জেনেও এই পেশায় নিযুক্ত হয়েছেন। বছরের পর বছর কসরত করে, পড়াশোনা করে আর্মিতে ভর্তি হবার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাই তাঁর মৃত্যু হলে তাঁকে “শহীদ” বলা হবে। যারা ভাবছ টাকার জন্য সেনারা আর্মিতে যোগ দেয়, তাঁরা ভেবে দেখো একজন জওয়ান টাকা নিয়েও কি নিজে ভোগ করতে পারে? সারাবছর বর্ডারের ধারে পাওয়া দূষিত জল, পোড়া রুটি, আলু সেদ্ধ খেয়ে দিন কাটান। মাইনের টাকায় সুইজারল্যান্ডে হানিমুনে যাননা, পাঁচ তারা রেস্তোরাঁয় ক্যান্ডেল লাইট ডিনার করেন না। দিবারাত্র সব ত্যাগ করে আমাদের রক্ষা করা মানুষরা যখন মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁকে “শহীদ” বলতে কিসের লজ্জা?

একজন জওয়ান, পলিটিক্স এমনকী দেশেরও উর্দ্ধে। জওয়ানরা বর্ডারে দাঁড়িয়ে আছে বলেই তুমি ফেসবুকে তাঁদের নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারছ। জওয়ানরা আমাদের প্রত্যক্ষ্য ভাবে রক্ষা করে, যেখানে মন্ত্রী, ডাক্তার, পুলিশ, এমনকী মুচি-মেথরও আমাদের রক্ষা করে পরোক্ষ ভাবে। আগেকার দিনে যুদ্ধ হলে রাজারা আগে থাকত, পেছনে থাকত সৈন্যরা। এখন যুদ্ধ হলে তোমাদের পছন্দের কোনো মন্ত্রী যুদ্ধে যাবেনা, রক্ত ঝড়বে জওয়ানদেরই। রক্ষা করার ক্ষেত্রে এই ডায়রেক্ট এবং ইনডায়রেক্ট পার্থক্যটাই শহীদ এবং মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য। ৪৪ জন শহীদের ছিন্নভিন্ন দেহ গেছে তাঁদের বাড়িতে। কারুর স্ত্রী হয়ত তাঁর স্বামীর কাটা হাতটুকুই ফেরৎ পেয়েছেন। শুনলাম একজন স্ত্রী কান্নাকাটি করছেন, “আমার স্বামীর মাথাটা ফেরৎ দাও”। অথচ সেদিন আমরা পার্কে প্রেমিকার সাথে ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন করেছিলাম। তাঁদের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন যদি মাথায় আসে, তাহলে নিজেকে শিক্ষিত ভেবেই বা কি লাভ? কি দাম তোমাদের পড়াশোনা আর ডিগ্রির? বাকস্বাধীনতার অর্থ না বুঝে চ্যাঁচানো নয়।

দুঃখের বিষয় এগুলোও স্ট্যাটাস দিয়ে বোঝাতে হচ্ছে। এতগুলো শিক্ষিত মানুষ প্রশ্ন তুলছেন টাকার বিনিময়ে কাজ করা সেনাদের কেন শহীদ বলা হবে। তাদের বাড়ি ঘেরাও করে মারধোর করলেও কি মেন্টালিটি পাল্টাবে? যারা জিজ্ঞাসার খাতিরেই প্রশ্ন করছিল, তাঁদের যথাসাধ্য উত্তর দেবার চেষ্টা করলাম। আর যারা রাজনৈতিক কারণে জেনেবুঝে পাকিস্তান প্রেম দেখাচ্ছে, তাদের তৃতীয় চরণে প্রণাম। জওয়ানরা কোনোদিন তাঁদের প্রাপ্য সম্মান পাননা। উপযুক্ত অর্থ তো নয়ই, বরং প্রাপ্য মর্যাদার আশাও রাখেন না। সিনেমার নায়কদের নাম সবাই মনে রাখে, নায়করা রাস্তায় বেড়োলে ভক্তেরা ঘিরে ধরে সেলফি তোলে। অথচ একজন রিয়্যাল লাইফ হিরো, একজন জওয়ান ভিড় বাসে বা মেট্রোয় উঠলে তাঁকে কেউ বসতেও দেয়না। অন্তত মৃত্যুর পরে তাঁদের “শহীদ” সম্মানটুকু দেওয়াটা ভারতবাসী হিসাবে কর্তব্য নয় কি?

Friday, June 29, 2018

প্রশ্ন- মন্দির টা ওখানে রেখেই কী উন্নয়ন করা যেত না!!

হ‍্যাঁ, ধূপগুড়ির প্রতীক ছিল এই মূর্তি। অনেকের ই হয়তো অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই স্থানের সঙ্গে। আসতে যেতে প্রতিনিয়ত মন্দিরের দর্শন হয়ে যেত, যা একটা অভ‍্যাসে পরিণত হয়ে গেছিল।

তবে আবেগপ্রবণ ধূপগুড়ি বাসীদের এটা বুঝতে হবে যে মন্দিরটি তুলে ফেলা হয়নি, স্থানান্তরিত হয়েছে শুধুমাত্র। ধূপগুড়ির উন্নয়নের জন্য এরকম পদক্ষেপ তো নিতেই হবে। উন্নয়ন ও লাগে, আর কিছু পরিবর্তন ও হবে না, এটা সম্ভব না। অনেকের প্রশ্ন- মন্দির টা ওখানে রেখেই কী উন্নয়ন করা যেত না!! আবেগপ্রবণ মন যুক্তি দিয়ে ভাবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তাই আবেগকে দূরে রাখুন। রাস্তার প্রসার ঘটাতে হবে, কাজেই এত বড় রাস্তার মাঝখানে ওরকম একটা জায়গা আটক করলে কোনভাবেই তার বিস্তার সম্ভব না। আপনারা তো বাড়িতে বসে ফেবুতে Comment করে দিলেন এটা উচিত নয়, এটা খারাপ হয়েছে, এটা থাকলে কোন অসুবিধাই হত না। তাদের জন্য বলছি, একবার গিয়ে এক Coochbehar- Siliguri বাস চালককে জিজ্ঞেস করুন, একবার গিয়ে সেই পাঞ্জাব বডি চালকদের কাছে গিয়ে শুনুন, আর স্থানীয় টোটোচালকদের কাছে যান, যে ওই Turning টা কত ভয়ংকর ও মারত্মক, কত কষ্ট হয় সেই জায়গায় তাদের গাড়ি চালাতে। এমন অনেকেই আছে যারা হয়তে কোনদিনই ওই মন্দিরের ভেতরে ঢুকে নাই আর হয়তো বা নতুন মন্দিরের সাথেই কোন সম্পর্ক রাখবে না, তবুও সামাজিক দায়িত্ব পালনের সার্থে একটা Comment তো করতেই হবে।

আর সবচেয়ে বড় কথা মন্দিরটি নতুন জায়গায় আরও ভালো করে, বড় করে তৈরি হচ্ছে সেই রাস্তার পাশেই। সুতরাং যারা সত্যিই ওই মন্দিরের সাথে ও ধূপগুড়ির উন্নয়নের সাথে আন্তরিক ভাবে জড়িত, তাদের জন‍্য কোন অসুবিধে নেই, বরং একটা সু সংবাদ ও উপহার আছে নতুন মন্দিরের রূপে।
জানি অনেকেই আমার কথায় খুশী হবে না, তার জন্য আমি দুঃখিত, তবে যারা আমার সাথে একমত, তারা post টি Share করুন।

#LoveDhupguri..💝💝

Friday, December 15, 2017

Don't use plastic



```শীত পড়ছে। শুরু হয়ে গেল পিকনিকের মরশুম। মাঠ-ঘাট, বন-জঙ্গল, নদীর ধার, শরের বন এবার ভরে উঠবে থার্মোকলের প্লেটে। এটাই নাকি পরিষ্কার থালা। অথচ এটা পচে না। বহুযুগ ধরে অবিকৃত থাকে। পোড়ালেও দূষিত গ্যাস তৈরি করে যা শ্বাস-প্রশ্বাসের পক্ষে ক্ষতিকর। অথচ এখানে শালগাছের কোন অভাব নেই। গরীব মানুষেরা এই শালপাতা জোগাড় করে যে প্লেট বানায় তা-ও বাজারে প্রচুর পাওয়া যায়। তাহলে? অভাবটা আমাদের মত তথাকথিত ভদ্রলোকদের দৃষ্টিভঙ্গির। আমরা তবুও মনে করব থার্মোকলটাই সুবিধেজনক।

আমার একান্ত অনুরোধ, যাঁরা যাঁরা পিকনিকের কথা ভাবছেন তাঁরা দয়া করে থার্মোকল না ব্যবহার করে শালপাতা বা বায়োডিগ্রেডেবল জিনিস ব্যবহার করুন। পরিবেশকে বাঁচান। প্রকৃতিকে সুন্দর রাখুন।


(এই পোস্টটি যত বেশি শেয়ার হয় তত ভাল।)

Sunday, December 3, 2017

উত্তরবঙ্গ সংবাদ
 


ধূপগুড়ি, ৩ ডিসেম্বরঃ মারা গেলেন সহজিয়া সুফি সম্প্রদায়ের দরবেশি গানের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী কালাচাঁদ দরবেশ। রবিবার সকাল ৬ টা ৪৫ মিনিটে ধূপগুড়ির গোবিন্দপল্লী এলাকায় নিজের বাড়িতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই শ্বাসকষ্ট ও কিডনির রোগে ভুগছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছেন। পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার সকাল থেকেঅ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বেলা দেড়টা নাগাদ প্রথমে ধূপগুড়ি হাসপাতাল, তারপর উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শমতোই রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয় ধূপগুড়ির বাড়িতে। কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান তিনি।
সংবাদদাতাঃ সপ্তর্ষি সরকার

Tuesday, November 28, 2017

হাতিকে হাতির মতো থাকতে দাও

হাতিকে হাতির মতো থাকতে দাও

By Bengal times রজত বসু
জঙ্গলের রাজা কে?‌ আমাদের এসব জঙ্গলে সিংহ দেখা যায় না। সুন্দরবনে কয়েকটা রয়্যাল বেঙ্গল আর ডুয়ার্সে কিছু চিতাবাঘ— এই নিয়ে আমাদের বাঘ সাম্রাজ্য। কিন্তু দিন দিন হাতি মশাই যা দাপট দেখাচ্ছে, তাতে তাকে গুরুত্ব না দিয়ে উপায় নেই। রোজই লোকালয়ে হাতি বেরিয়ে আসার খবর। তাণ্ডব চালানোর খবর। কখনও দলমা থেকে নেমে এসে সন্ত্রাস চালাচ্ছে বাঁকুড়া–‌মেদিনীপুরে। আর ডুয়ার্সের নানা জায়গায় তো বহুদিন ধরেই তার অবাধ বিচরণ।


তিনদিনের ব্যবধানে দুটি খবর। দুটিই বেশ বড় আকারে বেরিয়েছে কলকাতার কাগজে। দুটিই মালবাজার এলাকায়। মাঝরাস্তায় হাতির ছবি তুলতে গিয়েছিলেন এক নিরাপত্তাকর্মী। কী জানি, হয়ত ভেবেছিলেন, এই বীরত্বের কথা ফেসবুকে ফলাও করে প্রচার করবেন। কিন্তু হাতি বুঝলে তো!‌ তুলে সোজা আছাড়। বেঘোরে প্রাণটা গেল। তারপর রাস্তার ধার থেকে তাকে তুলে এনে ফেলে দিল মাঝরাস্তায়। বীরদর্পে আবার ফিরে গেল জঙ্গলে। সেই নিরাপত্তাকর্মীর পড়ে থাকা দেহটাই ছবি হয়ে উঠল।
আরও বড় ঘটনা রবিবার। এবার বেঘোরে প্রাণ গেল চিতাবাঘের। বেচারার অপরাধ?‌ হাতির বাচ্চাকে বিরক্ত করছিল। মা–‌হাতির রাগ তো জানে না!‌ চিতাবাঘের দিকে তেড়ে গেল হাতির দল। বাঘের যতই গতি থাক, হাতির গতিও উসাইন বোল্টদের মতোই। বাঘমামা ভাবল, গাছে উঠলে আর হাতি কিছু করতে পারবে না। তড়তড় করে গাছে উঠে পড়ল। কিন্তু এমন চিত্রনাট্য লেখা ছিল, কে জানত!‌ হাতির দল এল গাছের সামনে। গাছ থেকে ফল পাড়ার মতোই শুঁড় দিয়ে টেনে নামাল সেই বাঘকে। পা দিয়ে পিষে মারা হল। মানুষের নিস্তার নেই। বাঘেরও নিস্তার নেই।

সহজ কথা, হাতিকে হাতির মতো থাকতে দিন। ও নিজের মতো নিজেকে গুছিয়ে নিক। তার সঙ্গে বেশি পাঙ্গা না নেওয়াই ভাল। ছবির ফ্ল্যাশ দেখলে হাতি মারাত্মক ক্ষেপে যায়। হাতির শরীর দেখে ভুল করবেন না। কী ভাবছেন, ছুটে পালিয়ে যাবেন!‌ মনে রাখবেন, হাতি কিন্তু পার্থ চ্যাটার্জি নয়। এই শরীর নিয়েও সে অনায়াসে উসাইন বোল্টকে হারিয়ে দিতে পারে। একবার তেড়ে এলে আর রক্ষে নেই। স্বয়ং চিতাবাঘ পালাতে পারল না, আর আপনি তো কোন ছার!‌

Saturday, November 25, 2017

Sukanta mahavidyalaya ,Dhupguri college



Sukanta Mahavidyalaya, named after the eminent Bengali poet Sukanta Bhattacharyya (1926-1947), was established on the 25th September, 1981 at Sukanta Nagar, P.O. Dhupguri, Dist. Jalpaiguri, West Bengal. It is a Government-aided Degree College permanently affiliated to the University of North Bengal and enlisted under Section 2(F) and 12 (B) of the U.G.C. Act, 1956. This institution is accredited by NAAC with Grade-B. It is situated on the Dhupguri-Falakata Road and reachable from the District town Jalpaiguri in one hour journey by bus/train. The College is situated in an area known as Dooars which is the tea-belt of North Bengal other than Darjeeling.

Thursday, September 16, 2010

images

Information

Dhupguri ......is the beautiful town Location of Dhupguri in West Bengal and India
 Coordinates --26.60°N 89.02°E 
Country --India
 State-- West Bengal
 District(s)-- Jalpaiguri 
 Population-- 37998 (2001)
 Time zone --IST (UTC+05:30)
 Area • Elevation • 80 m (262 ft) 
 Codes -063

About Dhupguri


Geography

Dhupguri is located at 26.60°N 89.02°E. It has an average elevation of 80 metres (262 feet).Itis a municipal town of the Jalpaiguri district.It is located just beside the foothill regions of north-eastern Himalayas.


Demographics

As of 2001 India census[2], Dhupguri had a population of 37,998. Males constitute 53% of the population and females 47%. Dhupguri has an average literacy rate of 73%, higher than the national average of 59.5%: male literacy is 78% and, female literacy is 67%. In Dhupguri, 12% of the population is under 6 years of age.


Economy

Dhupguri is a small but growing and prosperous town in Jalpaiguri district. Agriculture is the backbone of economy. Paddy, jute, betel nut and vegetables are produced in large quantities in and around Dhupguri. Dhupguri is notable for its cultivation of Potato which is directly exported to states like Bihar, Assam and entire north eastern states of India. In recent years, international trade has also built up in this region. Potatoes of Dhupguri are now available in the markets of Bangladesh, Nepal and Bhutan. The government regulated wholesale market has helped the farmers in Dhupguri to achieve their success in a big way and make a mark in the agriculture map of the state. The regulated market, locally known as Dhupguri Hut, established a decade back for the wholesale transactions of all agriculture products is the second largest in West Bengal.
Besides agriculture, small scale industries are also budding in this small town of Jalpaiguri district.


Transport

The town is well connected with roads and rail network, National highway no.31 is running across the middle of the city besides State highways connecting Siliguri and Coochbehar also passes over Dhupguri. However, passenger vehicles on roads are not much available once the sun sets.
Dhupguri Railway Station has unique distinction of providing connection to all parts of the country through passenger train service. Many long distance trains including superfast trains daily pass through Dhupguri station and provide link between north, west and southern parts of India with north eastern regions. The town is also connected by road to many parts of West Bengal.

[edit]Education

The only college in Dhupguri, Sukanta Mahavidyalaya, was established in 1981 with the departments of English, Bengali, History, Economics, Philosophy, Political Science, Physical education and Education. The College is affiliated to the North Bengal UniversitySiliguri. Notbale schools of this town are:
  • Dhupguri Higher Secondary School PHONE: 03563-250089
This school contains science,arts,commerce and agriculture stream. total no of student is 2500(approx) and teacher more than 45. science labs are well equiped. total intake for science stream is around 50. teachers are.. PHYSICS: P.ghosh,b.sen ...CHEM: p.mazumdar,s.gupta....MATH: r.bhowmick,d.basak,b.chowdhury...BIOS: b.saha,g.banerjee...SCIENCE: g.karjee...BENG: sp.sengupta,b.narzary,sr.sarkar... ENG: s.sengupta,smt.s.bagchi,m.ray,n.roy....GEO: s.sen,b.prasad,p.c.roy... W.EDUCATION:m,k,dutta.....HIST:d.nandy,a.k.roy ..LIBRARY: m.banerjee...COMP:c.mazumdar...COMMERCE: r.sarkar,k.dutta,d.basak...POL SC:s.dey,g.c.roy...EDCN: d.mazumdar...SNSK: s.das,,,,,,PARATEACHERS: a.dutta,a.ghosh,s.das,rk.basak,r.basak,m.basak,j.sen,d.chakraborty
  • Bairatiguri Higher Secondary School
  • Dhupguri Girls Higher Secondary School
  • Divyajyoti High School
  • Kalirhat D.C High School
  • Dawkimari D.N High School


Places of interest

  • There is a Vidyaashram, a self-sufficient village following the ideals of Mahatma Gandhi, near Dhupguri established by Dhirendra Nath Dasgupta.
  • There are a couple of big clubs in the town named Madhyapara Young Sporting Club,Nabajiban Sangha, STS Club, Shanti Sangha and Dakshinayan Club,surhid sangha club and library which arranges spectacular Durga Puja & Kaali Puja, both very popular Bengali/Hindu Festivals in Bengal. Additionally these clubs organizes many cultural and sports activities throughout the year. Rabindra Jayanti is celebrated by many clubs including those mentioned above during birth anniversary of Rabindra Nath Tagore. Tarun Natya Sanstha, a popular drama club in the town is known for its drama performances, on social and cultural issues. Dhupguri is also a centre of Jatra (four side open drama) festival during winter.
  • Mayer Sthan is the oldest holy temple.
  • The Sonakhali Forest is also a place of tourism interest.
                                                                                           Source :http://en.wikipedia.org/wiki/Dhupguri