Amar Storybook
Dhupguri ......is the beautiful town Location of Dhupguri in West Bengal and India.
Tuesday, February 11, 2020
বনবিভাগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে জলপাইগুড়ি জেলার লাটাগুড়িতে অনুষ্ঠিত হলো দুইদিন ব্যাপী বন বান্ধব উৎসব ।
Friday, January 31, 2020
ঝালদার সভায় 'উস্কানিমূলক মন্তব্য' কৈলাস বিজয়বর্গীয়র, এফআইআর দায়ের তৃণমূলের
Saturday, March 2, 2019
Holiday মুভিটায় একটা গল্প বলেছিল। একজন ভারতীয় জওয়ানকে শত্রুরা ধরে মারাত্মক অত্যাচার করে। বিয়ার বোতল পেছনে ঢুকিয়ে সেখানেই ভেঙে দেয়, চোখ উপড়ে নেয়। তার ছিন্নভিন্ন লাশটা দেখে মা কান্নাকাটি করছিল, বোন মাথা চাপড়াচ্ছিল। কিন্তু এক সপ্তাহ বাদেই তাঁর ভাই সেনাবাহিনীতে জয়েন করে নেয়। এটা শুধু গল্প নয়, বাস্তবতাও। যারা জওয়ান হয়, তাঁদের কাছে যৌবনেই বিকল্প থাকে পড়াশোনা করে আম-আদমির মত চাকরি বাকরি করার, তারপর স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে সংসার করার। তবুও ওঁরা বহু আগে থেকেই স্বপ্ন দেখে দেশের কাছে আত্মবলিদান দেবার। ক্যাপ্টেন আমেরিকার অরিজিনটা মনে আছে?
আর্মিতে ভর্তি হতে গেলে বহু ডেডিকেশন, হার্ডওয়ার্ক এবং স্বপ্ন দেখার প্রয়োজন হয় আর ভর্তির প্রস্তুতি শুরু করতে হয় বহু আগে থেকেই। ধরো, তুমি এখন চাকরি পাচ্ছনা, টাকার বড্ড দরকার। যদি আর্মিতে গিয়ে বলো তোমায় ভর্তি নিতে, সেটা কোনোদিন সম্ভব হবে? তোমার ফিজিকাল ফিটনেসের ট্রেনিং, পড়াশোনা সবকিছুই শুরু করতে হবে বহু আগে থেকে। বরং গ্র্যাজুয়েট-মাস্টার্স-ইঞ্জিনিয়ার হতে গেলেও ততটা খাটনির প্রয়োজন হয়না যতটা আর্মির ট্রেনিং এ হয়।
ডাক্তার হওয়া বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়া যেমন স্বপ্ন, তেমনই দেশের হয়ে প্রাণ দেওয়াটাও মানুষের স্বপ্ন। এই স্বপ্ন দেখতে গেলে হিম্মত লাগে, বর্ডারে দাঁড়াতে বুকের পাটা লাগে। বছরের পর বছর নিজের পরিবারকে ছেড়ে থাকতে হবে জেনেও, পদে পদে মৃত্যুভয় আছে জেনেও যারা আমাদের রক্ষা করার স্বপ্ন দেখে তাদের মৃত্যুর তুলনা বাকীদের সাথে করা কি যায়? একজন ডাক্তারেরও হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় ‘অ্যাক্সিডেন্টাল ডেথ’ হতে পারে, কিন্তু তিনি মৃত্যু হবে জেনে ডাক্তারির পেশায় নিযুক্ত হননি, মানুষের সেবা করতে ডাক্তার হয়েছেন। তাই তাঁর মৃত্যুটা মৃত্যুই। কিন্তু একজন জওয়ান নিজের মৃত্যু হতে পারে জেনেও এই পেশায় নিযুক্ত হয়েছেন। বছরের পর বছর কসরত করে, পড়াশোনা করে আর্মিতে ভর্তি হবার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাই তাঁর মৃত্যু হলে তাঁকে “শহীদ” বলা হবে। যারা ভাবছ টাকার জন্য সেনারা আর্মিতে যোগ দেয়, তাঁরা ভেবে দেখো একজন জওয়ান টাকা নিয়েও কি নিজে ভোগ করতে পারে? সারাবছর বর্ডারের ধারে পাওয়া দূষিত জল, পোড়া রুটি, আলু সেদ্ধ খেয়ে দিন কাটান। মাইনের টাকায় সুইজারল্যান্ডে হানিমুনে যাননা, পাঁচ তারা রেস্তোরাঁয় ক্যান্ডেল লাইট ডিনার করেন না। দিবারাত্র সব ত্যাগ করে আমাদের রক্ষা করা মানুষরা যখন মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁকে “শহীদ” বলতে কিসের লজ্জা?
একজন জওয়ান, পলিটিক্স এমনকী দেশেরও উর্দ্ধে। জওয়ানরা বর্ডারে দাঁড়িয়ে আছে বলেই তুমি ফেসবুকে তাঁদের নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারছ। জওয়ানরা আমাদের প্রত্যক্ষ্য ভাবে রক্ষা করে, যেখানে মন্ত্রী, ডাক্তার, পুলিশ, এমনকী মুচি-মেথরও আমাদের রক্ষা করে পরোক্ষ ভাবে। আগেকার দিনে যুদ্ধ হলে রাজারা আগে থাকত, পেছনে থাকত সৈন্যরা। এখন যুদ্ধ হলে তোমাদের পছন্দের কোনো মন্ত্রী যুদ্ধে যাবেনা, রক্ত ঝড়বে জওয়ানদেরই। রক্ষা করার ক্ষেত্রে এই ডায়রেক্ট এবং ইনডায়রেক্ট পার্থক্যটাই শহীদ এবং মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য। ৪৪ জন শহীদের ছিন্নভিন্ন দেহ গেছে তাঁদের বাড়িতে। কারুর স্ত্রী হয়ত তাঁর স্বামীর কাটা হাতটুকুই ফেরৎ পেয়েছেন। শুনলাম একজন স্ত্রী কান্নাকাটি করছেন, “আমার স্বামীর মাথাটা ফেরৎ দাও”। অথচ সেদিন আমরা পার্কে প্রেমিকার সাথে ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন করেছিলাম। তাঁদের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন যদি মাথায় আসে, তাহলে নিজেকে শিক্ষিত ভেবেই বা কি লাভ? কি দাম তোমাদের পড়াশোনা আর ডিগ্রির? বাকস্বাধীনতার অর্থ না বুঝে চ্যাঁচানো নয়।
দুঃখের বিষয় এগুলোও স্ট্যাটাস দিয়ে বোঝাতে হচ্ছে। এতগুলো শিক্ষিত মানুষ প্রশ্ন তুলছেন টাকার বিনিময়ে কাজ করা সেনাদের কেন শহীদ বলা হবে। তাদের বাড়ি ঘেরাও করে মারধোর করলেও কি মেন্টালিটি পাল্টাবে? যারা জিজ্ঞাসার খাতিরেই প্রশ্ন করছিল, তাঁদের যথাসাধ্য উত্তর দেবার চেষ্টা করলাম। আর যারা রাজনৈতিক কারণে জেনেবুঝে পাকিস্তান প্রেম দেখাচ্ছে, তাদের তৃতীয় চরণে প্রণাম। জওয়ানরা কোনোদিন তাঁদের প্রাপ্য সম্মান পাননা। উপযুক্ত অর্থ তো নয়ই, বরং প্রাপ্য মর্যাদার আশাও রাখেন না। সিনেমার নায়কদের নাম সবাই মনে রাখে, নায়করা রাস্তায় বেড়োলে ভক্তেরা ঘিরে ধরে সেলফি তোলে। অথচ একজন রিয়্যাল লাইফ হিরো, একজন জওয়ান ভিড় বাসে বা মেট্রোয় উঠলে তাঁকে কেউ বসতেও দেয়না। অন্তত মৃত্যুর পরে তাঁদের “শহীদ” সম্মানটুকু দেওয়াটা ভারতবাসী হিসাবে কর্তব্য নয় কি?
Friday, June 29, 2018
প্রশ্ন- মন্দির টা ওখানে রেখেই কী উন্নয়ন করা যেত না!!
হ্যাঁ, ধূপগুড়ির প্রতীক ছিল এই মূর্তি। অনেকের ই হয়তো অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই স্থানের সঙ্গে। আসতে যেতে প্রতিনিয়ত মন্দিরের দর্শন হয়ে যেত, যা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছিল।
তবে আবেগপ্রবণ ধূপগুড়ি বাসীদের এটা বুঝতে হবে যে মন্দিরটি তুলে ফেলা হয়নি, স্থানান্তরিত হয়েছে শুধুমাত্র। ধূপগুড়ির উন্নয়নের জন্য এরকম পদক্ষেপ তো নিতেই হবে। উন্নয়ন ও লাগে, আর কিছু পরিবর্তন ও হবে না, এটা সম্ভব না। অনেকের প্রশ্ন- মন্দির টা ওখানে রেখেই কী উন্নয়ন করা যেত না!! আবেগপ্রবণ মন যুক্তি দিয়ে ভাবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তাই আবেগকে দূরে রাখুন। রাস্তার প্রসার ঘটাতে হবে, কাজেই এত বড় রাস্তার মাঝখানে ওরকম একটা জায়গা আটক করলে কোনভাবেই তার বিস্তার সম্ভব না। আপনারা তো বাড়িতে বসে ফেবুতে Comment করে দিলেন এটা উচিত নয়, এটা খারাপ হয়েছে, এটা থাকলে কোন অসুবিধাই হত না। তাদের জন্য বলছি, একবার গিয়ে এক Coochbehar- Siliguri বাস চালককে জিজ্ঞেস করুন, একবার গিয়ে সেই পাঞ্জাব বডি চালকদের কাছে গিয়ে শুনুন, আর স্থানীয় টোটোচালকদের কাছে যান, যে ওই Turning টা কত ভয়ংকর ও মারত্মক, কত কষ্ট হয় সেই জায়গায় তাদের গাড়ি চালাতে। এমন অনেকেই আছে যারা হয়তে কোনদিনই ওই মন্দিরের ভেতরে ঢুকে নাই আর হয়তো বা নতুন মন্দিরের সাথেই কোন সম্পর্ক রাখবে না, তবুও সামাজিক দায়িত্ব পালনের সার্থে একটা Comment তো করতেই হবে।
আর সবচেয়ে বড় কথা মন্দিরটি নতুন জায়গায় আরও ভালো করে, বড় করে তৈরি হচ্ছে সেই রাস্তার পাশেই। সুতরাং যারা সত্যিই ওই মন্দিরের সাথে ও ধূপগুড়ির উন্নয়নের সাথে আন্তরিক ভাবে জড়িত, তাদের জন্য কোন অসুবিধে নেই, বরং একটা সু সংবাদ ও উপহার আছে নতুন মন্দিরের রূপে।
জানি অনেকেই আমার কথায় খুশী হবে না, তার জন্য আমি দুঃখিত, তবে যারা আমার সাথে একমত, তারা post টি Share করুন।
#LoveDhupguri..💝💝
Friday, December 15, 2017
Don't use plastic
```শীত পড়ছে। শুরু হয়ে গেল পিকনিকের মরশুম। মাঠ-ঘাট, বন-জঙ্গল, নদীর ধার, শরের বন এবার ভরে উঠবে থার্মোকলের প্লেটে। এটাই নাকি পরিষ্কার থালা। অথচ এটা পচে না। বহুযুগ ধরে অবিকৃত থাকে। পোড়ালেও দূষিত গ্যাস তৈরি করে যা শ্বাস-প্রশ্বাসের পক্ষে ক্ষতিকর। অথচ এখানে শালগাছের কোন অভাব নেই। গরীব মানুষেরা এই শালপাতা জোগাড় করে যে প্লেট বানায় তা-ও বাজারে প্রচুর পাওয়া যায়। তাহলে? অভাবটা আমাদের মত তথাকথিত ভদ্রলোকদের দৃষ্টিভঙ্গির। আমরা তবুও মনে করব থার্মোকলটাই সুবিধেজনক।
আমার একান্ত অনুরোধ, যাঁরা যাঁরা পিকনিকের কথা ভাবছেন তাঁরা দয়া করে থার্মোকল না ব্যবহার করে শালপাতা বা বায়োডিগ্রেডেবল জিনিস ব্যবহার করুন। পরিবেশকে বাঁচান। প্রকৃতিকে সুন্দর রাখুন।
(এই পোস্টটি যত বেশি শেয়ার হয় তত ভাল।)
Sunday, December 3, 2017
Wednesday, November 29, 2017
Tuesday, November 28, 2017
হাতিকে হাতির মতো থাকতে দাও
হাতিকে হাতির মতো থাকতে দাও
Saturday, November 25, 2017
Sukanta mahavidyalaya ,Dhupguri college
Sukanta Mahavidyalaya, named after the eminent Bengali poet Sukanta Bhattacharyya (1926-1947), was established on the 25th September, 1981 at Sukanta Nagar, P.O. Dhupguri, Dist. Jalpaiguri, West Bengal. It is a Government-aided Degree College permanently affiliated to the University of North Bengal and enlisted under Section 2(F) and 12 (B) of the U.G.C. Act, 1956. This institution is accredited by NAAC with Grade-B. It is situated on the Dhupguri-Falakata Road and reachable from the District town Jalpaiguri in one hour journey by bus/train. The College is situated in an area known as Dooars which is the tea-belt of North Bengal other than Darjeeling.
Wednesday, July 19, 2017
Thursday, September 16, 2010
Information
Coordinates --26.60°N 89.02°E
Country --India
State-- West Bengal
District(s)-- Jalpaiguri
Population-- 37998 (2001)
Time zone --IST (UTC+05:30)
Area • Elevation • 80 m (262 ft)
Codes -063
About Dhupguri
Geography
Demographics
Economy
Transport
[edit]Education
- Dhupguri Higher Secondary School PHONE: 03563-250089
- Bairatiguri Higher Secondary School
- Dhupguri Girls Higher Secondary School
- Divyajyoti High School
- Kalirhat D.C High School
- Dawkimari D.N High School
Places of interest
- There is a Vidyaashram, a self-sufficient village following the ideals of Mahatma Gandhi, near Dhupguri established by Dhirendra Nath Dasgupta.
- There are a couple of big clubs in the town named Madhyapara Young Sporting Club,Nabajiban Sangha, STS Club, Shanti Sangha and Dakshinayan Club,surhid sangha club and library which arranges spectacular Durga Puja & Kaali Puja, both very popular Bengali/Hindu Festivals in Bengal. Additionally these clubs organizes many cultural and sports activities throughout the year. Rabindra Jayanti is celebrated by many clubs including those mentioned above during birth anniversary of Rabindra Nath Tagore. Tarun Natya Sanstha, a popular drama club in the town is known for its drama performances, on social and cultural issues. Dhupguri is also a centre of Jatra (four side open drama) festival during winter.
- Mayer Sthan is the oldest holy temple.
- The Sonakhali Forest is also a place of tourism interest.

























